[islamsr] / results=[3] / label=[latest] / type=[headermagazine]
শিরোনাম ::
শিরোনাম ::

সোনারগাঁয়ে ১০ টি ইউনিয়নে সরব চেয়ারম্যান প্রার্থীরা, দৌড়ঝাপে এগিয়ে কে?

প্রকাশঃ
0 জন এই প্রতিবেদনটি পড়েছেন

 


নিজস্ব প্রতিবেদক : আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার সম্ভাবনার কথা শোনা যাচ্ছে। এর রেশ ধরে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন পরিষদে বইতে শুরু করেছে নির্বাচনী হাওয়া। বিএনপির একক প্রার্থী হিসেবে দলীয় সমর্থন পেতে ইতিমধ্যেই মাঠে নেমেছেন অর্ধশতাধিক সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী।

প্রতিটি ইউনিয়নে ৫ থেকে ৭ জন করে প্রার্থীর সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে এবং নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে এই সংখ্যা ইউনিয়ন প্রতি দশ ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সব মিলিয়ে উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে শতাধিক প্রার্থী বিএনপির দলীয় সমর্থনের আশায় মাঠে নামতে যাচ্ছেন। যদিও শেষ পর্যন্ত প্রতিটি ইউনিয়নে ২ থেকে ৩ জন হেভিওয়েট প্রার্থীর মধ্যেই মূল লড়াই সীমাবদ্ধ থাকবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

​বিএনপির কেন্দ্রীয় অবস্থান অনুযায়ী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রতিটি ইউনিয়নে কেবল একজন মাত্র সমর্থিত প্রার্থী রাখা হবে এবং এর বাইরে কেউ বিদ্রোহী প্রার্থী হলে তাকে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা ও বহিষ্কারের মুখোমুখি হতে হবে বলে জানানো হয়েছে। কিন্তু সোনারগাঁয়ের ১০টি ইউনিয়নের শতাধিক সম্ভাব্য প্রার্থীর মধ্য থেকে সঠিক ও গ্রহণযোগ্য ১০ জন প্রার্থীকে চূড়ান্তভাবে বাছাই করা স্থানীয় উপজেলা বিএনপির জন্য একটি বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

​উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে সনমান্দি ইউনিয়নে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাফির উদ্দীন মজনু, প্রয়াত চেয়ারম্যান বিল্লাল হোসেনের পুত্র মাসুম বিল্লাহ এবং উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফ মোল্লা।

কাঁচপুর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে হেভিওয়েট দুই প্রার্থী হিসেবে প্রচারণায় রয়েছেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাজী সেলিম হক রুমী ও সদস্য বিএম ডালিম।

মোগরাপাড়া ইউনিয়নে এককভাবে প্রচারণায় দেখা যাচ্ছে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমানকে, তবে বিগত দিনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লড়া যুবদল নেতা পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী চপলও শেষ পর্যন্ত লড়াইয়ে নামতে পারেন।

​বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নে মাঠে সক্রিয় রয়েছেন উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি তাজুল ইসলাম সরকার, যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নূরে ইয়াসিন নোবেল ও বিএনপি নেতা গাজী আওলাদ হোসেন।

পিরোজপুর ইউনিয়নে প্রচারণায় বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন উপজেলা বিএনপির সদস্য মাসুম রানা, পাশাপাশি প্রস্তুতি নিচ্ছেন সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম, সহ-সাধারণ সম্পাদক শহীদ সরকার ও অর্থ সম্পাদক হান্নান বেপারী।

বারদী ইউনিয়নে ঘরে ঘরে গিয়ে মানুষের সমস্যা শুনছেন উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক সেলিম হোসেন দিপু; এছাড়া সাবেক চেয়ারম্যান আলী আজগর, আবুল কাসেম বাবু, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আলমগীর মেম্বার ও যুবদল নেতা আব্দুল আলীও আলোচনায় রয়েছেন।

​নোয়াগাঁও ইউনিয়নে দলের সমর্থন প্রত্যাশায় কাজ করছেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আতাউর রহমান, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মিজানুর রহমান ও বিএনপি নেতা ফারুক খান।

সাদিপুরে অনুসারীদের নিয়ে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কামরুজ্জামান ভূঁইয়া মাসুম ও সিনিয়র সহ-সভাপতি হাজী সেলিম সরকার।

জামপুরে প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আছেন বিএনপি নেতা গোলজার হোসেন প্রধান ও উপজেলা জাসাসের সভাপতি আমির হোসেন।

এছাড়া শম্ভুপুরা ইউনিয়নে মনোনয়ন লড়াই জমে উঠেছে আপন মামা ও ভাগিনার মধ্যে; যেখানে উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে দলের সমর্থন চেয়ে মাঠে নেমেছেন তার ভাগিনা উপজেলা যুবদলের সদস্য নোবেল মীর।

এই খবরের অডিও ভার্সন শুনতে নিচের প্লে বাটনে ক্লিক করুন

0:00 / 0:00 0%

একটি মন্তব্য করুন

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন