[islamsr] / results=[3] / label=[latest] / type=[headermagazine]
শিরোনাম ::
শিরোনাম ::

সোনারগাঁয়ের মেঘনায় অবৈধ বালু উত্তোলন: ড্রেজারসহ গ্রেপ্তার-২

প্রকাশঃ
0 জন এই প্রতিবেদনটি পড়েছেন


সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার মেঘনা নদীতে অবৈধভাবে বালি ও মাটি উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে একটি ড্রেজারসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে নৌ পুলিশ। এসময় নদী থেকে একটি অ্যান্কর বোট, একটি হাউস বোট, এক হাজার ফুট পাইপ এবং আনুমানিক সাড়ে সাত হাজার ঘনফুট বালু ও মাটি জব্দ করা হয়।

​গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে নারায়ণগঞ্জ জেলা আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

 বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাতে সোনারগাঁয়ের বৈদ্যেরবাজার নৌ পুলিশ ফাঁড়ির আওতাধীন ছনপাড়া গ্রামের পূর্বপাশে মেঘনা নদীতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

​নৌ পুলিশ সুত্রে জানা জানায়, একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে মেঘনা নদীতে ড্রেজার বসিয়ে অবৈধভাবে বালু ও মাটি উত্তোলন করে আসছিল। খবর পেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে নৌ পুলিশের টহল দলের ইনচার্জ এসআই আক্তার হোসেনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ মেঘনা নদীতে অভিযান চালায়।

​অভিযানকালে ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থানার চর কালিকাপুর গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নান শেখের ছেলে আব্দুল খালেক (২৪, ড্রেজারের গ্রিজার) এবং গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ থানার ক্রোড়গাছা গ্রামের আফসার আলী মন্ডলের ছেলে আমিরুল ইসলাম (৫২, লিভারম্যান)।

​তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বালু উত্তোলনের মূল কারিগর ও সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীসহ বেশ কয়েকজন কৌশলে পালিয়ে যান।

​পলাতক আসামিরা হলেন,রাজশাহীর বাগমারা থানার বসন্তপুর গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে ও ড্রেজারের প্রকৌশলী আবু মুকিত শুভ (৪৫), মানিকগঞ্জের দৌলতপুর থানার পারুলিয়া গ্রামের মোকসেদের ছেলে লিভারম্যান শাহ আলম, চঞ্চল, জাহাঙ্গীর, এনাম এবং আরও অজ্ঞাতপরিচয় ২-৩ জন।

​অভিযানকালে ঘটনাস্থল থেকে ‘এম-০১-২৬২২’ নম্বরের একটি কাটিং ড্রেজার, একটি অ্যান্কর বোট, একটি হাউস বোট, বালু বহনের ১,০০০ ফুট পাইপ এবং সদ্য উত্তোলিত ৭,৫০০ ঘনফুট বালু ও মাটি জব্দ করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।

​এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বারিক জানান, নৌ পুলিশের অভিযানে অবৈধ বালু উত্তোলনের সাথে জড়িত দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িত ও পালিয়ে যাওয়া অন্য আসামিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। নদী ও পরিবেশ রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।

এই খবরের অডিও ভার্সন শুনতে নিচের প্লে বাটনে ক্লিক করুন

0:00 / 0:00 0%

একটি মন্তব্য করুন

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন