[islamsr] / results=[3] / label=[latest] / type=[headermagazine]
শিরোনাম ::
শিরোনাম ::

মেঘনা শিল্প নগরীর আতঙ্ক মাদককারবারী জিয়া'কে এলাকাবাসীর গণপিটুনি

প্রকাশঃ
0 জন এই প্রতিবেদনটি পড়েছেন

 


সোনারগাঁ(নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি:  সোনারগাঁয়ের মেঘনা শিল্প নগরীর আতঙ্ক মাদককারবারী ও নারী কেলেংকারীর একাধিক অভিযোগে অভিযুক্ত সন্ত্রাসী জিয়াউর রহমান ওরফে জিয়ার কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ হয়ে এলাকাবাসী গণপিটুনি দিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে । 

গত বুধবার (২২ শে এপ্রিল) রাতে উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের গঙ্গানগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত জিয়াউর রহমান ওরফে জিয়া গঙ্গানগর এলাকার মজিবুর রহমানের ছেলে। সে আওয়ামীলীগ নেতার পরিচয় দিয়ে এ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতো বলে অভিযোগ রয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়ে বিরোধ ও ক্ষোভের জেরে  গণপিটুনির ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, গত ১৭ বছর আ'লীগের সাথে আতাঁত করে আ'লীগ নেতা পরিচয় দিয়ে জিয়া মেঘনা শিল্প নগরী এলাকায় মাদক ও নারী ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত ছিলো৷  গত ৫ আগষ্টের পর সন্ত্রাসী এ জিয়া সুযোগ বুঝে বোল্ট পালটে এখন এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড শুরু করেছে৷ আ'লীগের এ নেতার নির্দেশে মহাসড়কে ডাকাতি, ছিনতাই ও এলাকায় মাদককারবারসহ নারীদের দিয়ে অনৈতিক ব্যবসা করার অভিযোগ রয়েছে৷  এতে এলাকাবাসী স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের জানালে একাধিকবার সালিশ হলেও তা উপেক্ষা করে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করেই যাচ্ছে।  তার এই সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে অতিষ্ঠ হয়ে এলাকাবাসী গণপিটুনি  দেয়।  

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক ব্যাক্তি বলেন, জিয়া আওয়ামীলীগ আমলেও আমাদের কেউরে শান্তিতে বসবাস করতে দেয় নি।  এলাকায় মাদককারবার, দেহব্যবসাসহ নানা ধরণের অপকর্ম করে যেতো। এখনো অদৃশ্য শক্তির বলে এসব করে যাচ্ছে। পুরো গঙ্গানগর ও নয়াচর এলাকায়  তার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আতঙ্ক বিরাজ করে।  এরই ধারাবাহিকতায় এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে গণপিটুনি দিয়েছে৷ যা তার পাওনা ছিলো।  তবে এমন লোকদের ক্ষমা না করে তার বিরুদ্ধে আইনিপদক্ষেপ নেয়া উচিত। 

অনুসন্ধানে জানা গেছে, পিরোজপুর ইউনিয়নের মেঘনা শিল্প নগরী এলাকার গঙ্গানগর ও নয়াচর এলাকার সকল অপকর্মের মূল হোতা এই আওয়ামী নেতা জিয়াউর রহমান। এমন কোনো অপকর্ম নেই যা সে না করে৷ সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সাংসদ আজহারুল ইসলাম মান্নান ও জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক খাইরুল ইসলাম সজিব মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দিলেও তাদের সিদ্ধান্ত ও প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এ জিয়া তার অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছিলেন। তার অপকর্মে অতিষ্ঠ হয়েই এলাকায় মাদকসহ তাকে হাতেনাতে ধরে পরে পালিয়ে যাওয়ার সময় এলাকাবাসীর গণপিটুনির শিকার হয়।  

তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত জিয়াউর রহমান বিষয়টিকে গোপন করে দামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করছে।  এ বিষয়ে জানতে চাইলে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।  

স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ জানান, এমন ধরনের লোক যদি এলাকায় বসবাস করে তাহলে যুবসমাজ নষ্ট হয়ে যাবে।  তাই অতিবিলম্বে তাকে আইনের আওতায় নেয়ার দাবী জানিয়েছেন।  

এই খবরের অডিও ভার্সন শুনতে নিচের প্লে বাটনে ক্লিক করুন

0:00 / 0:00 0%

একটি মন্তব্য করুন

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন