[islamsr] / results=[3] / label=[latest] / type=[headermagazine]
শিরোনাম ::
শিরোনাম ::

সরকারের নির্দেশ অমান্য করে মোল্লারহাটে রাহিমা ফিলিং স্টেশনের প্রতারণা: চালকদের মাঝে ক্ষোভ

প্রকাশঃ
0 জন এই প্রতিবেদনটি পড়েছেন


নিজস্ব প্রতিবেদক: বাগেরহাটের মোল্লারহাট উপজেলায় সরকারি নীতিমালা ও ডিজিটাল লেনদেনের সুফলকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে অভিনব কায়দায় গ্রাহক ঠকানোর অভিযোগ উঠেছে রাহিমা ফিলিং স্টেশন-এর বিরুদ্ধে।

বাংলা কিউআর (Bangla QR) কোডের মাধ্যমে ক্যাশলেস লেনদেনে অতিরিক্ত চার্জ আদায়ের আইনবহির্ভূত এই কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করায় গ্রাহকদের লাঞ্ছিত করারও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহলে তীব্র সমালোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

​ঘটনার সূত্র ধরে জানা যায়, শনিবার বিকেলে মোল্লারহাটের রাহিমা ফিলিং স্টেশন থেকে সিএনজি গ্যাস নেন মশিউর রহমান নামের এক যাত্রী। পেমেন্ট করার সময় তিনি ক্যাশ টাকার পরিবর্তে সহজ ও নিরাপদ মাধ্যম হিসেবে বাংলা কিউআর কোড ব্যবহার করে বিল পরিশোধ করেন। কিন্তু পেমেন্ট সম্পন্ন হওয়ার পরই ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার সরকারি নিয়মকে তোয়াক্কা না করে ডিজিটাল পেমেন্টের অজুহাতে ওই যাত্রীর কাছ থেকে জোরপূর্বক অতিরিক্ত টাকা দাবি করেন। নীতিমালা অনুযায়ী কিউআর কোড বা ডিজিটাল লেনদেনে কোনো অতিরিক্ত ফি বা চার্জ নেওয়ার বিধান না থাকলেও, স্টেশন কর্তৃপক্ষ তা অমান্য করে অর্থ আদায়ের চেষ্টা চালায়।

​অতিরিক্ত টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ফিলিং স্টেশনটির ম্যানেজার ও কর্মরত কর্মীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।

ভুক্তভোগী যাত্রী মশিউর রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমরা ডিজিটাল লেনদেন করতে গেলে আমাদের উল্টো হয়রানির শিকার হতে হয়। অতিরিক্ত টাকা কেন দেব জানতে চাইলে তারা আমাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং হেনস্তা করেন। তেল বা গ্যাস নিতে গেলে সাধারণ মানুষকে আজ জিম্মি হতে হচ্ছে।

একই অভিযোগ করে স্থানীয় অটোরিকশা চালক রহিম উদ্দিন বলেন, এই পাম্পে প্রায়ই মাপে কম দেওয়া হয় এবং ডিজিটাল পেমেন্ট করতে গেলে অতিরিক্ত টাকা কাটা হয়। প্রতিবাদ করলেই তারা মারমুখী আচরণ করে।

​ঘটনার একটি ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে ফিলিং স্টেশন কর্মীর ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ ও যাত্রীদের হেনস্তা করার চিত্র স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া এই ভিডিও দেখে সাধারণ মানুষ তীব্র নিন্দা জানাচ্ছেন এবং অবিলম্বে এই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছেন।

​এ বিষয়ে মোল্লারহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং স্থানীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সাথে যোগাযোগ করা হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানান, ক্যাশলেস লেনদেনে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের কোনো সুযোগ নেই। অভিযোগের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। খুব শীঘ্রই সরেজমিন তদন্ত করে রাহিমা ফিলিং স্টেশনের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এই খবরের অডিও ভার্সন শুনতে নিচের প্লে বাটনে ক্লিক করুন

0:00 / 0:00 0%

একটি মন্তব্য করুন

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন