[islamsr] / results=[3] / label=[latest] / type=[headermagazine]
শিরোনাম ::
শিরোনাম ::

সাদিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের থেকে রাস্তা মেরামতের জন্য চাঁদা আদায়ের অভিযোগ,

প্রকাশঃ
0 জন এই প্রতিবেদনটি পড়েছেন

 


সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি : নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার সাদিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দিয়ে রাস্তা মেরামতের কাজ করানোর চাঁদা আদায় ও শিক্ষার্থীর হাত ভাঙ্গার অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার(১৯ আগষ্ট) বিদ্যালয়ের রাস্তা মেরামতের কাজের অংশ নিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বাধ্যতামূলক ইট অথবা টাকা দাবির পাশাপাশি অসাবধানতাবশত রড ঢুকে এক শিক্ষার্থী আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। প্রধান শিক্ষক শাহজালাল মিয়ার এমন অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী।

​স্থানীয় ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, সাদিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী মো: কাউসার হোসেন (পিতা: মোহাম্মদ কবির হোসেন, সাং: কলতপাড়া) রাস্তা মেরামতের কাজ করার সময় দুর্ঘটনার শিকার হয়। কাজ করার সময় অসাবধানতাবশত তার হাতে রড ঢুকে যায়। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে মিরেরটেক সেবা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং তার হাতে ৬টি সেলাই করা হয়।

​ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মো: কাউসার জানায়, "ক্লাসে স্যারেরা সবাইকে উদ্দেশ্য করে রাস্তা মেরামতের জন্য ইট কিংবা টাকা নিয়ে যেতে বলেছেন। সবার সামনে বলায় সবার মধ্যে একধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছিল। পরে সামর্থ্য অনুযায়ী সবাই অংশ নিয়ে কাজ করার সময় হঠাৎ পড়ে গিয়ে আমার হাতে রড ঢুকে যায়।

সে আরও অভিযোগ করে জানায়, প্রধান শিক্ষক বিষয়টি সরাসরি না বললেও অন্য শিক্ষকদের মাধ্যমে তা বাস্তবায়নের চাপ সৃষ্টি করেন।

এছাড়া নিয়মিত শিক্ষার্থীদের দিয়ে ক্লাসের ভেতর ও বাইরের ফ্লোর পরিষ্কার এবং ঝাড়ু দেওয়ানোর মতো কাজ করানো হয় বলেও অভিযোগ ওঠে।

​এদিকে রাস্তার মেরামতের জন্য বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে বাধ্যতামূলকভাবে ১০টি করে ইট অথবা ২০০ টাকা করে চাঁদা দাবি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী পরিবার ও স্কুলের আশেপাশের লোকজন।

​অভিযোগের বিষয়ে সাদিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহজালাল মিয়ার সাথে কথা বললে তিনি জানান, রাস্তা খারাপ দেখে ছাত্রছাত্রীরা নিজ উদ্যোগে মেরামত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। তারা নিজেরাই টাকা বা ইট দিয়ে সহযোগিতা করেছে, আমরা শুধু বলেছি মাত্র। এ সময় একটি ছেলে হাতে ব্যথা পেয়েছে, তার মামার সাথে কথা হয়েছে; কাল কী করা যায় আমরা দেখব।

​স্কুলের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পরিবেশ নষ্ট করে এভাবে ঝুঁকিপূর্ণ কায়িক শ্রমে বাধ্য করা এবং চাঁদা তোলার ঘটনায় এলাকায় তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছে। এ বিষয়ে দ্রুত যথাযথ তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল ও ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা।

এই খবরের অডিও ভার্সন শুনতে নিচের প্লে বাটনে ক্লিক করুন

0:00 / 0:00 0%

একটি মন্তব্য করুন

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন