[islamsr] / results=[3] / label=[latest] / type=[headermagazine]
শিরোনাম ::
শিরোনাম ::

সোনারগাঁয়ে "শামীম-আনোয়ার" বাহিনীর রামরাজত্ব: চাঁদাবাজি ও মাদকের অভিযোগে উত্তপ্ত নোয়াগাঁও

প্রকাশঃ
0 জন এই প্রতিবেদনটি পড়েছেন




সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নে মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি ও ভূমিদস্যুতার অভিযোগে একদল চিহ্নিত সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। 

স্থানীয়দের অভিযোগ, লাধুর চর এলাকার মৃত হাবিবুল্লাহ মাস্টারের ছেলে শামীম ও মামুন এবং তাদের প্রধান সহযোগী চিহ্নিত সন্ত্রাসী আনোয়ার মেম্বারের অত্যাচারে পুরো এলাকায় বর্তমানে এক বিভীষিকাময় রামরাজত্ব কায়েম হয়েছে।

​স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ৫ই আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর রাতারাতি ভোল পাল্টে ফেলেন শামীম। নিজেকে প্রভাবশালী বিএনপি নেতা পরিচয় দিয়ে এলাকায় একক আধিপত্য বিস্তার শুরু করেন তিনি। অভিযোগ রয়েছে, শামীম নোয়াগাঁও ইউনিয়নের শেখ কান্দী এলাকার শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ও যুবলীগ নেতা ফজলে করিমের মামাতো ভাই। এলাকাবাসীর দাবি, শেখ কান্দী এলাকার মাদক ব্যবসার পুরনো সিন্ডিকেট এখন শামীমের নেতৃত্বে তার বড় ভাই মামুন পরিচালনা করছেন।


​ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, শামীম ও আনোয়ার মেম্বার বাহিনীর কাছে বর্তমানে জিম্মি হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষ। মাদক ব্যবসার পাশাপাশি তারা নিরীহ মানুষের জমি দখল এবং স্থানীয় শিল্প-প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়মিত মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে আসছে। তাদের এসব অপকর্মের প্রতিবাদ করলে সাধারণ মানুষের ওপর নেমে আসে নির্মম শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। ফলে প্রাণের ভয়ে অনেকেই মুখ খুলতে সাহস পান না।


​গতকাল (শনিবার) বিকেলে লাধুর চর এলাকার ‘আস্থা ফিড’ নামক একটি ফিড মিলে সদলবলে চড়াও হয় শামীম, আনোয়ার মেম্বার ও মামুনসহ তাদের একদল সশস্ত্র সহযোগী। সেখানে বড় অঙ্কের চাঁদা দাবি করলে স্থানীয় জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলে এবং পুলিশে খবর দেয়। পুলিশের উপস্থিতির খবর পেয়ে চিহ্নিত ওই সন্ত্রাসীরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।


​ঘটনার পর সোনারগাঁ থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত শুরু করেছে। তবে পুলিশের অভিযানের পর থেকে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। সন্ত্রাসীদের ভয়ে অনেক প্রত্যক্ষদর্শী এখনো গণমাধ্যমের সামনে কথা বলতে সংকোচ বোধ করছেন।


​এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহিববুল্লাহ বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা লিখিত কোনো অভিযোগ পাইনি। তবে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এই খবরের অডিও ভার্সন শুনতে নিচের প্লে বাটনে ক্লিক করুন

0:00 / 0:00 0%

একটি মন্তব্য করুন

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন